Showing posts from September, 2021Show all
মাটির কলসির পানি কেন পান করবেন?  একসময় মাটির পাত্রে অনেকেই রান্না করতেন। এর বেশ কিছু উপকারিতা আছে। তেমনই গরমকালে মাটির কলসি বা পাত্র থেকে পানি পানের গুরুত্বও অপরিসীম। জেনে নিন, মাটির কলসির পানি কেন পান করবেন। মাটির পাত্রের প্রাকৃতিক ভাবেই পানি ঠান্ডা রাখার গুণ আছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে এটি পানির তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মাটির পাত্রের পানি খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ এবং এতে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক এনার্জি থাকে। গরমকালের জন্য যা খুবই উপকারী। মাটির পাত্রের পানি দেহে গ্লুকোজের পরিমাণ বজায় রাখে। সানস্ট্রোক হওয়া থেকে বাঁচায়। মাটির খনিজের মধ্যে অ্যালকালিন থাকে, যা জলের সাথে মিশে পানিকে জীবাণু মুক্ত করে। তাছাড়া প্রাকৃতিক ভাবে ঠান্ডা হওয়া পানি গলার পক্ষেও খুবই উপকারী গরমের দিনে প্রতিদিন মাটির কলসির পানি খেলে গ্যাসট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে মাটির পাত্রের ঠান্ডা পানি খেলে তা হজমশক্তিতে সাহায্য করে ও বিপাক ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। (ঢাকাটাইমস/১৬এপ্রিল/এজেড)

মাটির কলসির পানি কেন পান করবেন? একসময় মাটির পাত্রে অনেকেই রান্না করতেন। এর বেশ কিছু উপকারিতা আছে। তেমনই গরমকালে মাটির কলসি বা পাত্র থেকে পানি পানের গুরুত্বও অপরিসীম। জেনে নিন, মাটির কলসির পানি কেন পান করবেন। মাটির পাত্রের প্রাকৃতিক ভাবেই পানি ঠান্ডা রাখার গুণ আছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে এটি পানির তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মাটির পাত্রের পানি খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ এবং এতে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক এনার্জি থাকে। গরমকালের জন্য যা খুবই উপকারী। মাটির পাত্রের পানি দেহে গ্লুকোজের পরিমাণ বজায় রাখে। সানস্ট্রোক হওয়া থেকে বাঁচায়। মাটির খনিজের মধ্যে অ্যালকালিন থাকে, যা জলের সাথে মিশে পানিকে জীবাণু মুক্ত করে। তাছাড়া প্রাকৃতিক ভাবে ঠান্ডা হওয়া পানি গলার পক্ষেও খুবই উপকারী গরমের দিনে প্রতিদিন মাটির কলসির পানি খেলে গ্যাসট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে মাটির পাত্রের ঠান্ডা পানি খেলে তা হজমশক্তিতে সাহায্য করে ও বিপাক ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। (ঢাকাটাইমস/১৬এপ্রিল/এজেড)

Add to CartProduct Added
পানি সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্যসমূহবাংলাদেশের শতকরা ২৪ ভাগ রোগ পানিবাহিত। একজন মানুষের সুস্থ্যভাবে জীবন যাপনের জন্য দৈনিক কমপক্ষে ২-৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা প্রয়োজন। মানব দেহ গঠনের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পানির পরিমাণ ৭০ ভাগ। গোটা পৃথিবীতে পান যোগ্য পানির পরিমাণ শতকরা ২ ভাগ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে দেখা গিয়েছে জীবননাশী ক্যান্সার শতকরা ৭৫-৮০ ভাগই পানি এবং পরিবেশ থেকে সৃষ্ট হয়ে থাকে। সর্বশেষ সমীক্ষায় পানিতে সনাক্তকৃত জৈব পদার্থের সংখ্যা প্রায় ৭০০টি, যার কিছু অংশ ক্যান্সার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে এবং মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের জরায়ু সংক্রান্ত ও মূত্রনালীর বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের জন্য দায়ী। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা যে পানি পান করি কিংবা আমাদের প্রচলিত বিশুদ্ধ করণ প্রক্রিয়াটি কি সঠিক? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ধরনের প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে- পানি ফুটানো বা সিদ্ধ করণপ্রণালীঃ ফুটন্ত পানি কি শতভাগ বিশুদ্ধ ? পানি সিদ্ধ করণ পদ্ধতিটির বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই। সাধারণত ১২০ ডিগ্রী সেঃ তাপমাত্রায় পানি ফুটে এবং পানি ফুটানোর ফলে ব্যাকটেরিয়া ও কিছু কিছু ভাইরাস মারা যায় আবার কিছু ভাইরাস অধিক তাপমাত্রার কারণে আত্নরক্ষামূলক সিস্ট তৈরী করে এবং উপযোগী পরিবেশে সিস্ট ভেঙ্গে মানব দেহের ক্ষতি সাধন করে। পানি ফুটানোর ফলে আমাদের চোখে অদৃশ্যমান ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের মৃতদেহ কিন’ পানিতেই থেকে যায় এবং উক্ত পানি পান করার পর এই মৃতদেহ গুলো মানবদেহে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসাবে কাজ করে, যা আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। পানি ফুটানোর ফলে আমাদের চোখে অদৃশ্যমান ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের মৃতদেহ কিন্তু পানিতেই থেকে যায় এবং উক্ত পানি পান করার পর এই মৃতদেহ গুলো মানবদেহে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসাবে কাজ করে, যা আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। পানি ফুটালে পানিতে দ্রবীভূত বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ যেমন: আর্সেনিক, আয়রণ, সীসা, মার্কারী, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি সহ সকল প্রকার ক্ষতিকারক ধাতব পদার্থ, ময়লা এবং বালিকণা পানি থেকে অপরারিত হয় না, যা আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক ক্ষতিকর। ডিষ্টিলেশন পদ্ধতি: এই প্রক্রিয়ায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমান 2 PPM (Parts Per Million) থাকে যা পানের অনুপযোগী। ওজোনেশন পদ্ধতি: দ্রবীভূত অনাকাঙ্খিত রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তীত থাকে যা আমাদের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। UV (Ultra Violet) পদ্ধতি: এই প্রক্রিয়াটি অত্যান্ত ব্যয় বহুল এবং কার্যকারিতার দিক দিয়েও পিছিয়ে। যেমন: UV Ray- এর মাধ্যমে প্রবাহমান পানি সম্পূর্ণ রূপে বিশুদ্ধ হয় না। ক্ষতিকারক ভাইরাস এর তেমন পরিবর্তন হয় না এবং অজৈব পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। এটি Nephelometric Turbidity Units (NTU) কর্তৃক প্রমাণিত। বাংলাদেশে পরীক্ষিত প্রায় ১৪ লক্ষ টিউবওয়েল এর মধ্যে আর্সেনিক বিদ্যমান, যা ত্বকের ক্যান্সার ও শারীরিক অসুস্থতার জন্য দায়ী। Supply Water- এ ক্লোরিন সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থের আধিক্যতা রয়েছে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাহলে আসুন জেনে নেই সারা বিশ্বে পানি বিশুদ্ধ করণে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সর্বাধুনিক প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়াটির নাম হচ্ছে- “Reverse Osmosis” (রিভার্স অসমোসিস)। রিভার্স অসমোসিস কি এবং এটি কিভাবে পানিকে বিশুদ্ধ করে : Reverse Osmosis প্রক্রিয়ায় বেশী ঘনত্বের দ্রবণ, কম ঘনত্বের দিকে ধাবিত হয় অর্থাৎ রিভার্স অসমোসিস হচ্ছে অভিস্রবণের বিপরীতধর্মী প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় পানিকে অসমোটিক প্রেসার (>২০০ psi) এর মাধ্যমে “Reverse osmosis Membrane” এর দিকে ধাবিত করে এবং উক্ত মেমব্রেনের ০.০০০১ মাইক্রনের অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে কোন ধরনের ক্ষতিকারক পদার্থ যেতে পারে না। শুধুমাত্র পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ও মিনারেল সমৃদ্ধ শতভাগ পানি Pressured Air Tight পানি ট্যাঙ্কে জমা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র অনুজীবের ব্যাস হচ্ছে ০.০১ মাইক্রন যা RO মেমব্রেনের প্রতিটি ছিদ্রের ব্যাসের চাইতে ১৫ গুন বড়, যার ফলে RO প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস পানিতে থাকে না এং সব সময় পানি থাকে শতভাগ বিশুদ্ধ। অপরদিকে ক্ষতিকারক পদার্থ, ময়লা, বালিকণা ড্রেনেজ লাইন দিয়ে বের হয়ে যায়। রিভার্স অসমোসিসের উপকারিতা: রিভার্স অসমোসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পানিতে অপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ থাকে না, তাই এই পানি পান করলে কিডনির উপর চাপ অনেকাংশে কমে যায়। এই প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের তাপ প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না এবং তাপ প্রয়োগ ব্যতীত পানি শতভাগ বিশুদ্ধ হয় যা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এই পিউরিফিকেশন সিস্টেম ৬টি স্তরে পরিশোধনের মাধ্যমে পানিকে করে সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে সকল প্রকার পানি বিশুদ্ধ করা সম্ভব এবং উৎপন্ন পানি মানব দেহের জন্য খুবই উপযোগী। এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পানি দিয়ে ভাত রান্না করলে ভাত নরম হয় না। চা-কফি অত্যান্ত সু-স্বাদু হয় যা বহুল আলোচিত। আসুন এবার জেনে নেই ‘‘Reverse Osmosis” পদ্ধতিটির বৈজ্ঞানিক ভাবে গ্রহণ যোগ্যতাকতটুকু? ‘‘রিভার্স অসমোসিস” পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়াটি The Public Health and Safety organization (NSF)/ANSI, EPA (Environmental Protection Agency) কর্তৃক স্বীকৃত এবং আন্তজার্তিক ভাবে ISO 9001 : 2008 সনদপ্রাপ্ত। সুতরাং Hanzo Water কর্তৃক সরবরাহকৃত Reverse Osmosis Purifier- এর পানি পান করে আপনি এবং আপনার পরিবার থাকুন সম্পুর্ণ নিশ্চিন্ত।

পানি সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্যসমূহবাংলাদেশের শতকরা ২৪ ভাগ রোগ পানিবাহিত। একজন মানুষের সুস্থ্যভাবে জীবন যাপনের জন্য দৈনিক কমপক্ষে ২-৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা প্রয়োজন। মানব দেহ গঠনের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পানির পরিমাণ ৭০ ভাগ। গোটা পৃথিবীতে পান যোগ্য পানির পরিমাণ শতকরা ২ ভাগ। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে দেখা গিয়েছে জীবননাশী ক্যান্সার শতকরা ৭৫-৮০ ভাগই পানি এবং পরিবেশ থেকে সৃষ্ট হয়ে থাকে। সর্বশেষ সমীক্ষায় পানিতে সনাক্তকৃত জৈব পদার্থের সংখ্যা প্রায় ৭০০টি, যার কিছু অংশ ক্যান্সার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে এবং মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের জরায়ু সংক্রান্ত ও মূত্রনালীর বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের জন্য দায়ী। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা যে পানি পান করি কিংবা আমাদের প্রচলিত বিশুদ্ধ করণ প্রক্রিয়াটি কি সঠিক? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ধরনের প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে- পানি ফুটানো বা সিদ্ধ করণপ্রণালীঃ ফুটন্ত পানি কি শতভাগ বিশুদ্ধ ? পানি সিদ্ধ করণ পদ্ধতিটির বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা নেই। সাধারণত ১২০ ডিগ্রী সেঃ তাপমাত্রায় পানি ফুটে এবং পানি ফুটানোর ফলে ব্যাকটেরিয়া ও কিছু কিছু ভাইরাস মারা যায় আবার কিছু ভাইরাস অধিক তাপমাত্রার কারণে আত্নরক্ষামূলক সিস্ট তৈরী করে এবং উপযোগী পরিবেশে সিস্ট ভেঙ্গে মানব দেহের ক্ষতি সাধন করে। পানি ফুটানোর ফলে আমাদের চোখে অদৃশ্যমান ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের মৃতদেহ কিন’ পানিতেই থেকে যায় এবং উক্ত পানি পান করার পর এই মৃতদেহ গুলো মানবদেহে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসাবে কাজ করে, যা আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। পানি ফুটানোর ফলে আমাদের চোখে অদৃশ্যমান ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের মৃতদেহ কিন্তু পানিতেই থেকে যায় এবং উক্ত পানি পান করার পর এই মৃতদেহ গুলো মানবদেহে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসাবে কাজ করে, যা আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। পানি ফুটালে পানিতে দ্রবীভূত বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ যেমন: আর্সেনিক, আয়রণ, সীসা, মার্কারী, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি সহ সকল প্রকার ক্ষতিকারক ধাতব পদার্থ, ময়লা এবং বালিকণা পানি থেকে অপরারিত হয় না, যা আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক ক্ষতিকর। ডিষ্টিলেশন পদ্ধতি: এই প্রক্রিয়ায় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমান 2 PPM (Parts Per Million) থাকে যা পানের অনুপযোগী। ওজোনেশন পদ্ধতি: দ্রবীভূত অনাকাঙ্খিত রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তীত থাকে যা আমাদের স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। UV (Ultra Violet) পদ্ধতি: এই প্রক্রিয়াটি অত্যান্ত ব্যয় বহুল এবং কার্যকারিতার দিক দিয়েও পিছিয়ে। যেমন: UV Ray- এর মাধ্যমে প্রবাহমান পানি সম্পূর্ণ রূপে বিশুদ্ধ হয় না। ক্ষতিকারক ভাইরাস এর তেমন পরিবর্তন হয় না এবং অজৈব পদার্থের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। এটি Nephelometric Turbidity Units (NTU) কর্তৃক প্রমাণিত। বাংলাদেশে পরীক্ষিত প্রায় ১৪ লক্ষ টিউবওয়েল এর মধ্যে আর্সেনিক বিদ্যমান, যা ত্বকের ক্যান্সার ও শারীরিক অসুস্থতার জন্য দায়ী। Supply Water- এ ক্লোরিন সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থের আধিক্যতা রয়েছে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাহলে আসুন জেনে নেই সারা বিশ্বে পানি বিশুদ্ধ করণে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সর্বাধুনিক প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়াটির নাম হচ্ছে- “Reverse Osmosis” (রিভার্স অসমোসিস)। রিভার্স অসমোসিস কি এবং এটি কিভাবে পানিকে বিশুদ্ধ করে : Reverse Osmosis প্রক্রিয়ায় বেশী ঘনত্বের দ্রবণ, কম ঘনত্বের দিকে ধাবিত হয় অর্থাৎ রিভার্স অসমোসিস হচ্ছে অভিস্রবণের বিপরীতধর্মী প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় পানিকে অসমোটিক প্রেসার (>২০০ psi) এর মাধ্যমে “Reverse osmosis Membrane” এর দিকে ধাবিত করে এবং উক্ত মেমব্রেনের ০.০০০১ মাইক্রনের অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে কোন ধরনের ক্ষতিকারক পদার্থ যেতে পারে না। শুধুমাত্র পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ও মিনারেল সমৃদ্ধ শতভাগ পানি Pressured Air Tight পানি ট্যাঙ্কে জমা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র অনুজীবের ব্যাস হচ্ছে ০.০১ মাইক্রন যা RO মেমব্রেনের প্রতিটি ছিদ্রের ব্যাসের চাইতে ১৫ গুন বড়, যার ফলে RO প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস পানিতে থাকে না এং সব সময় পানি থাকে শতভাগ বিশুদ্ধ। অপরদিকে ক্ষতিকারক পদার্থ, ময়লা, বালিকণা ড্রেনেজ লাইন দিয়ে বের হয়ে যায়। রিভার্স অসমোসিসের উপকারিতা: রিভার্স অসমোসিস প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পানিতে অপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ থাকে না, তাই এই পানি পান করলে কিডনির উপর চাপ অনেকাংশে কমে যায়। এই প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের তাপ প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না এবং তাপ প্রয়োগ ব্যতীত পানি শতভাগ বিশুদ্ধ হয় যা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এই পিউরিফিকেশন সিস্টেম ৬টি স্তরে পরিশোধনের মাধ্যমে পানিকে করে সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে সকল প্রকার পানি বিশুদ্ধ করা সম্ভব এবং উৎপন্ন পানি মানব দেহের জন্য খুবই উপযোগী। এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পানি দিয়ে ভাত রান্না করলে ভাত নরম হয় না। চা-কফি অত্যান্ত সু-স্বাদু হয় যা বহুল আলোচিত। আসুন এবার জেনে নেই ‘‘Reverse Osmosis” পদ্ধতিটির বৈজ্ঞানিক ভাবে গ্রহণ যোগ্যতাকতটুকু? ‘‘রিভার্স অসমোসিস” পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়াটি The Public Health and Safety organization (NSF)/ANSI, EPA (Environmental Protection Agency) কর্তৃক স্বীকৃত এবং আন্তজার্তিক ভাবে ISO 9001 : 2008 সনদপ্রাপ্ত। সুতরাং Hanzo Water কর্তৃক সরবরাহকৃত Reverse Osmosis Purifier- এর পানি পান করে আপনি এবং আপনার পরিবার থাকুন সম্পুর্ণ নিশ্চিন্ত।

Add to CartProduct Added
ভেজাল পানি সরবরাহের দায়ে সাত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা... অনুমোদন ছাড়াই জারের পানি উৎপাদন করার দায়ে সাত প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে চলা অভিযানে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও র‍্যাব হেড কোয়ার্টারের উদ্যোগে তেজগাঁও শিল্প এলাকায় আজ দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুটি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ পানির জার ধ্বংস করা হয়। র‍্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দেখেন কিছু প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের পরিশোধন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সরাসরি পানি জারে ভর্তি করে বাজারজাত করে আসছে।  তাঁরা এ খবর পেয়ে তেজগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সাত প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জাহাঙ্গীর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, কোল্ড এভারেস্ট, নব জীবন পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, ফিউচার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ এবং নামবিহীন তিনটি পানি উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান।  সারওয়ার জানান, এসব প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ টাকা জরিমানাসহ ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই অভিযানে ছিলেন র‍্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক শহীদুল ইসলাম ও বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক।

ভেজাল পানি সরবরাহের দায়ে সাত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা... অনুমোদন ছাড়াই জারের পানি উৎপাদন করার দায়ে সাত প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে চলা অভিযানে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও র‍্যাব হেড কোয়ার্টারের উদ্যোগে তেজগাঁও শিল্প এলাকায় আজ দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুটি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ পানির জার ধ্বংস করা হয়। র‍্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দেখেন কিছু প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের পরিশোধন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সরাসরি পানি জারে ভর্তি করে বাজারজাত করে আসছে। তাঁরা এ খবর পেয়ে তেজগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সাত প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জাহাঙ্গীর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, কোল্ড এভারেস্ট, নব জীবন পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, ফিউচার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ এবং নামবিহীন তিনটি পানি উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান। সারওয়ার জানান, এসব প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ টাকা জরিমানাসহ ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই অভিযানে ছিলেন র‍্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক শহীদুল ইসলাম ও বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক।

Add to CartProduct Added
বোতলের পানি কিনে কি প্লাস্টিক খাচ্ছি? অ্যাকুয়াফিনা, নেসলে, দাসানিসহ বিশ্বের নাম করা ব্র্যান্ডের বোতলজাত পানিতে ছোট ছোট প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, বোতলজাত প্রতি লিটার পানিতে গড়ে ১০টি প্লাস্টিক কণা রয়েছে। যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য একজন মানুষের চুলের চেয়ে বেশি। ৯টি দেশের ২৫০টি ব্র্যান্ডের বোতলজাত পানির উপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় নেতৃত্ব দেয়া সংবাদ সংস্থা অরব মিডিয়ার বরাতে আজ বৃহস্পতিবার এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। তবে যেসব কোম্পানির পানি পরীক্ষা করা হয়েছে তারা বলছে, তাদের পানি উৎপাদন কারখানাগুলো সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন। ফ্রেডোনিয়ায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের গবেষকরা এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির রসায়দ বিদ্যার অধ্যাপক শেরি ম্যাসন এই গবেষণা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা ব্র্যান্ডের পর ব্র্যান্ড, বোতলের পর বোতল  পানিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছি। কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডকে উদ্দেশ করে এ গবেষণা চালানো হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। ম্যাসন বলেন, আমরা সর্বত্রই প্লাস্টিক পেয়েছি। তবে এখনো পর্যন্ত এই ছোট ছোট প্লাস্টিক কণা ক্ষতি করতে পারে কিনা তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি যে বিজ্ঞানের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা এখনো সর্বনাশ ডেকে আনেনি, তবে আমরা যে পরিমাণের কথা বলেছি- তা উদ্বেগের বিষয়। স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের গবেষকরা বলছেন, বোতলজাত পানিতে যে প্লাস্টিক আছে- তার মধ্যে পলিপ্রোপাইলিন  ৫৪ শতাংশ । এটি মূলত বোতলের ক্যাপে ব্যবহৃত হয়। নাইলোন ১৬ শতাংশ, পলিস্ট্রিন ১১ শতাংশ, পলিথিলিন ১০ শতাংশ, পলেস্তার ৬ শতাংশ ও অন্যান্য প্লাস্টিক রয়েছে ৩ শতাংশ। এদিকে বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিষয়টি জনসম্মুখে আসার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) চুলচেরা বিশ্লেষণে নেমেছে। সংস্থাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে- বোতলজাত পানিতে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক আসলেই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর কিনা? এবং ক্ষতিকর হলে তা কতটুকু?

বোতলের পানি কিনে কি প্লাস্টিক খাচ্ছি? অ্যাকুয়াফিনা, নেসলে, দাসানিসহ বিশ্বের নাম করা ব্র্যান্ডের বোতলজাত পানিতে ছোট ছোট প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পেয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, বোতলজাত প্রতি লিটার পানিতে গড়ে ১০টি প্লাস্টিক কণা রয়েছে। যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য একজন মানুষের চুলের চেয়ে বেশি। ৯টি দেশের ২৫০টি ব্র্যান্ডের বোতলজাত পানির উপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় নেতৃত্ব দেয়া সংবাদ সংস্থা অরব মিডিয়ার বরাতে আজ বৃহস্পতিবার এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। তবে যেসব কোম্পানির পানি পরীক্ষা করা হয়েছে তারা বলছে, তাদের পানি উৎপাদন কারখানাগুলো সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন। ফ্রেডোনিয়ায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের গবেষকরা এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির রসায়দ বিদ্যার অধ্যাপক শেরি ম্যাসন এই গবেষণা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা ব্র্যান্ডের পর ব্র্যান্ড, বোতলের পর বোতল পানিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছি। কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডকে উদ্দেশ করে এ গবেষণা চালানো হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। ম্যাসন বলেন, আমরা সর্বত্রই প্লাস্টিক পেয়েছি। তবে এখনো পর্যন্ত এই ছোট ছোট প্লাস্টিক কণা ক্ষতি করতে পারে কিনা তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি যে বিজ্ঞানের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা এখনো সর্বনাশ ডেকে আনেনি, তবে আমরা যে পরিমাণের কথা বলেছি- তা উদ্বেগের বিষয়। স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের গবেষকরা বলছেন, বোতলজাত পানিতে যে প্লাস্টিক আছে- তার মধ্যে পলিপ্রোপাইলিন ৫৪ শতাংশ । এটি মূলত বোতলের ক্যাপে ব্যবহৃত হয়। নাইলোন ১৬ শতাংশ, পলিস্ট্রিন ১১ শতাংশ, পলিথিলিন ১০ শতাংশ, পলেস্তার ৬ শতাংশ ও অন্যান্য প্লাস্টিক রয়েছে ৩ শতাংশ। এদিকে বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিষয়টি জনসম্মুখে আসার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) চুলচেরা বিশ্লেষণে নেমেছে। সংস্থাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে- বোতলজাত পানিতে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক আসলেই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর কিনা? এবং ক্ষতিকর হলে তা কতটুকু?

Add to CartProduct Added
।।ঢাকায় ৯৭% জারের পানিতে মলের ব্যাকটেরিয়া! ============================== ঢাকার বাসাবাড়ি, অফিস-আদালতে সরবরাহ করা ৯৭ ভাগ জারের পানিতে ক্ষতিকর মাত্রায় মানুষ ও প্রাণীর মলের জীবাণু ‘কলিফর্ম’ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) একদল গবেষক। শাক-সবজিতে কীটনাশক দূষণ, বোতলজাত ও জার পানিতে বিদ্যমান খনিজ উপাদানের মাত্রা ও গুণাগুণ নির্ণয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এমন ‘ভীতিকর’ তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কাউন্সিলের পুষ্টি বিভাগের পরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম। জার পানির গবেষণায় ২৫০টি নমুনা সংগ্রহ করেন গবেষকরা; বিশেষ করে ঢাকার ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, এলিফ্যান্ট রোড, নিউ মার্কেট, চকবাজার, সদরঘাট, কেরানিগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, বাসাবো, মালিবাগ, রামপুরা, মহাখালি, গুলশান, বনানী, উত্তরা, এয়ারপোর্ট, ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গাবতলী, আমিনবাজার, আশুলিয়া ও সাভার এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সংগ্রহ করা নমুনাগুলোতে টোটাল কলিফর্মের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা পাওয়া গেছে যথাক্রমে ১৭ ও ১৬০০ এমপিএন (মোস্ট প্রবাবল নম্বর) এবং ফিকাল কলিফর্মের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল যথাক্রমে ১১ ও ২৪০ এমপিএন। এলিফ্যান্ট রোড, চকবাজার, বাসাবো, গুলশান, বনানী থেকে পানির নমুনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া যায়। সদরঘাট এলাকার নমুনা সবচেয়ে দূষণযুক্ত নির্দেশ করে; যেখানে সর্বোচ্চ টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের উপস্থিতির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৬০০ ও ২৪০ এমপিএন। টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্ম পরিমাণ পানির সম্ভাব্য দূষণের পরিমাণ নির্দেশ করে। টোটাল কলিফর্ম পরিমাপে পানিতে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান এবং মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অন্ত্রে উপস্থিত অনুজীব ও মলমূত্র দ্বারা দূষণের সম্মিলিত মান পাওয়া যায়। আর ফিকাল কলিফর্ম পরিমাপের মাধ্যমে শুধু মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অন্ত্র ও মলমূত্রের দ্বারা দূষণের মাত্রা নির্দেশিত হয়। গবেষকদলের প্রধান মনিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “টোটাল কলিফর্ম কাউন্টের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না পানিতে উপস্থিত অনুজীব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কি না? সেজন্য পানিতে কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া গেলে ফিকাল কলিফর্ম কাউন্ট করা অত্যাবশ্যক। “পানিতে টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের পরিমাণ শূন্য থাকার কথা থাকলেও ৯৭ ভাগ জার পানিতে দু’টোর উপস্থিতি রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।” স্বাস্থ্য ঝুঁকিঃ- ======= মনিরুল ইসলাম বলেন, কলিফর্ম মূলতঃ বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও প্রোটোজোয়া মতো প্যাথোজেন সৃষ্টিতে উৎসাহ যোগায় বা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া বিশেষ করে ই-কোলাই (কলিফর্ম গোত্রের অণুজীব) মানবদেহে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা, বমিভাব, পেট ব্যথা, জ্বর-ঠাণ্ডা, বমির মতো নানা উপসর্গ সৃষ্টির পাশাপাশি ক্রমাগত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ষাটোর্ধ্ব মানুষের হেমোলাইটিক ইউরেমিক সিনড্রোম হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, “এই রোগের কারণে ক্রমান্বয়ে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে কিডনিতে মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি কোনো কোনো পরিস্থিতিতে ব্লাড ট্রান্সফিউশন অথবা কিডনি ডায়ালাইসিস করার মত অবস্থা দাঁড়ায়।” এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত রোগের উপসর্গ দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রতীয়মান হয় আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাত থেকে আট দিনও লেগে যেতে পারে বলে জানান তিনি। গবেষকদের মতে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) কর্তৃক মান নির্ধারণ করা থাকলেও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় অবাধে চলছে দূষিত পানির ব্যবসা। মনিরুল বলেন, “স্যুয়ারেজ লাইনে ছিদ্রসহ বিভিন্নভাবে ওয়াসার পানিতে মলমূত্রের জীবাণু মিশে যায়। আর সেগুলো কিছুটা শোধন করে বা শোধন ছাড়াই জারের পানিতে বিক্রি করা হচ্ছে। সে কারণে জীবাণু থেকেই যাচ্ছে।” ওয়াসার পানিতে কলিফর্ম থাকেই জানিয়ে তিনি বলেন, “কেবল ফুটিয়ে খেলে সেই জীবাণু মুক্ত হতে পারে।” মান ঠিক নেই বোতলজাত পানিরওঃ- ====================== কেবল জারের পানিতে প্রাণঘাতি জীবাণুর উপস্থিতিই নয়, বাজারে থাকা বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত পানিতেও বিএসটিআই নির্ধারিত মান না পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে এ গবেষণায়। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় শতভাগ বোতলের গায়ে নির্দেশিত উপাদানসমূহের মাত্রায় অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। ড. মনিরুল বলেন, “ফলাফল বিশ্লেষণে পানির স্বাদ নির্দেশকারী টিডিএসের পরিমাণ সর্বনিম্ন প্রতি লিটারে ৮ মিলিগ্রাম ও সর্বোচ্চ ২৮০ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে। বিডিএস স্ট্যান্ডার্ড অনুয়ায়ী টিডিএসের মাত্রা প্রতি লিটারে ৫০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য।” পানির মানের ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর এভাবে মনগড়াভাবে বিডিএস মান বসিয়ে দেওয়া ঠেকাতে বিএসটিআইকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। “না হয় ভোক্তারা এভাবে প্রতারিত হতেই থাকবে। আর ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে, যাতে তারা এ ধরনের পানি গ্রহণ থেকে দূরে থাকেন,” বলেন এই গবেষক। By Quality Water Technology

।।ঢাকায় ৯৭% জারের পানিতে মলের ব্যাকটেরিয়া! ============================== ঢাকার বাসাবাড়ি, অফিস-আদালতে সরবরাহ করা ৯৭ ভাগ জারের পানিতে ক্ষতিকর মাত্রায় মানুষ ও প্রাণীর মলের জীবাণু ‘কলিফর্ম’ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) একদল গবেষক। শাক-সবজিতে কীটনাশক দূষণ, বোতলজাত ও জার পানিতে বিদ্যমান খনিজ উপাদানের মাত্রা ও গুণাগুণ নির্ণয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এমন ‘ভীতিকর’ তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কাউন্সিলের পুষ্টি বিভাগের পরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম। জার পানির গবেষণায় ২৫০টি নমুনা সংগ্রহ করেন গবেষকরা; বিশেষ করে ঢাকার ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, এলিফ্যান্ট রোড, নিউ মার্কেট, চকবাজার, সদরঘাট, কেরানিগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, বাসাবো, মালিবাগ, রামপুরা, মহাখালি, গুলশান, বনানী, উত্তরা, এয়ারপোর্ট, ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গাবতলী, আমিনবাজার, আশুলিয়া ও সাভার এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সংগ্রহ করা নমুনাগুলোতে টোটাল কলিফর্মের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা পাওয়া গেছে যথাক্রমে ১৭ ও ১৬০০ এমপিএন (মোস্ট প্রবাবল নম্বর) এবং ফিকাল কলিফর্মের ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল যথাক্রমে ১১ ও ২৪০ এমপিএন। এলিফ্যান্ট রোড, চকবাজার, বাসাবো, গুলশান, বনানী থেকে পানির নমুনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া যায়। সদরঘাট এলাকার নমুনা সবচেয়ে দূষণযুক্ত নির্দেশ করে; যেখানে সর্বোচ্চ টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের উপস্থিতির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৬০০ ও ২৪০ এমপিএন। টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্ম পরিমাণ পানির সম্ভাব্য দূষণের পরিমাণ নির্দেশ করে। টোটাল কলিফর্ম পরিমাপে পানিতে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান এবং মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অন্ত্রে উপস্থিত অনুজীব ও মলমূত্র দ্বারা দূষণের সম্মিলিত মান পাওয়া যায়। আর ফিকাল কলিফর্ম পরিমাপের মাধ্যমে শুধু মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অন্ত্র ও মলমূত্রের দ্বারা দূষণের মাত্রা নির্দেশিত হয়। গবেষকদলের প্রধান মনিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “টোটাল কলিফর্ম কাউন্টের মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না পানিতে উপস্থিত অনুজীব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কি না? সেজন্য পানিতে কলিফর্মের উপস্থিতি পাওয়া গেলে ফিকাল কলিফর্ম কাউন্ট করা অত্যাবশ্যক। “পানিতে টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের পরিমাণ শূন্য থাকার কথা থাকলেও ৯৭ ভাগ জার পানিতে দু’টোর উপস্থিতি রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।” স্বাস্থ্য ঝুঁকিঃ- ======= মনিরুল ইসলাম বলেন, কলিফর্ম মূলতঃ বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও প্রোটোজোয়া মতো প্যাথোজেন সৃষ্টিতে উৎসাহ যোগায় বা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া বিশেষ করে ই-কোলাই (কলিফর্ম গোত্রের অণুজীব) মানবদেহে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা, বমিভাব, পেট ব্যথা, জ্বর-ঠাণ্ডা, বমির মতো নানা উপসর্গ সৃষ্টির পাশাপাশি ক্রমাগত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ষাটোর্ধ্ব মানুষের হেমোলাইটিক ইউরেমিক সিনড্রোম হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, “এই রোগের কারণে ক্রমান্বয়ে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে কিডনিতে মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি কোনো কোনো পরিস্থিতিতে ব্লাড ট্রান্সফিউশন অথবা কিডনি ডায়ালাইসিস করার মত অবস্থা দাঁড়ায়।” এই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত রোগের উপসর্গ দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রতীয়মান হয় আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাত থেকে আট দিনও লেগে যেতে পারে বলে জানান তিনি। গবেষকদের মতে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) কর্তৃক মান নির্ধারণ করা থাকলেও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় অবাধে চলছে দূষিত পানির ব্যবসা। মনিরুল বলেন, “স্যুয়ারেজ লাইনে ছিদ্রসহ বিভিন্নভাবে ওয়াসার পানিতে মলমূত্রের জীবাণু মিশে যায়। আর সেগুলো কিছুটা শোধন করে বা শোধন ছাড়াই জারের পানিতে বিক্রি করা হচ্ছে। সে কারণে জীবাণু থেকেই যাচ্ছে।” ওয়াসার পানিতে কলিফর্ম থাকেই জানিয়ে তিনি বলেন, “কেবল ফুটিয়ে খেলে সেই জীবাণু মুক্ত হতে পারে।” মান ঠিক নেই বোতলজাত পানিরওঃ- ====================== কেবল জারের পানিতে প্রাণঘাতি জীবাণুর উপস্থিতিই নয়, বাজারে থাকা বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত পানিতেও বিএসটিআই নির্ধারিত মান না পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে এ গবেষণায়। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় শতভাগ বোতলের গায়ে নির্দেশিত উপাদানসমূহের মাত্রায় অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। ড. মনিরুল বলেন, “ফলাফল বিশ্লেষণে পানির স্বাদ নির্দেশকারী টিডিএসের পরিমাণ সর্বনিম্ন প্রতি লিটারে ৮ মিলিগ্রাম ও সর্বোচ্চ ২৮০ মিলিগ্রাম পাওয়া গেছে। বিডিএস স্ট্যান্ডার্ড অনুয়ায়ী টিডিএসের মাত্রা প্রতি লিটারে ৫০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য।” পানির মানের ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর এভাবে মনগড়াভাবে বিডিএস মান বসিয়ে দেওয়া ঠেকাতে বিএসটিআইকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। “না হয় ভোক্তারা এভাবে প্রতারিত হতেই থাকবে। আর ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে, যাতে তারা এ ধরনের পানি গ্রহণ থেকে দূরে থাকেন,” বলেন এই গবেষক। By Quality Water Technology

Add to CartProduct Added
গুণাগুণ অনুয়ায়ী পানীয় জল জীবাণুমুক্ত হওয়া প্রয়োজন। পানীয় জলে কোন রাসায়নিক পদার্থ বা লবণ মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে থাকা উচিত নয়। পানীয় জল স্বচ্ছ, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হওয়াও একান্ত জরুরি। অ-নিরাপদ বা দূষিত জল পান করলে বিভিন্ন রোগ যথা ডায়েরিয়া, ডিসেণ্ট্রি, আন্ত্রিক, টাইফয়েড, জণ্ডিস, কৃমিরোগ প্রভৃতির সৃষ্টি হতে পারে।  এই ধরণের রোগ গ্রামাঞ্চলে প্রায়শই দেখা যায়। শহরাঞ্চলেও বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন। ভারতবর্ষে এখনও প্রতি বছরে প্রায় 15 লক্ষ শিশু (৫ বছরের কমবয়সী) ডায়েরিয়াতে মারা যায়। গ্রামাঞ্চলের জল এবং জলবাহিত রোগে আক্রান্ত বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে দিন মজুরি থেকে বঞ্চিত হন ফলে পারিবারিক অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হন।  কিন্তু গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মনোন্নয়ন যদি সরকারের লক্ষ্য হয় তবে গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ জল সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যবিধান ব্যবস্থায় উন্নতি করা একান্ত জরুরি। এই উন্নয়নের ফলে জল এবং জলবাহিত রোগের হ্রাস ঘটবে, মানুষের অসুস্থতা যথেষ্ট কমে আসবে এবং ফলস্বরূপ পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। পানীয় জলের উত্স মূলত ভূগর্ভস্থ এবং ভূপৃষ্ঠস্থ জল। বৃষ্টির জলকে সরাসরি সংগ্রহ করে পানীয় জল হিসাবে ব্যবহার করা যায়। গুণগত মান অণুযায়ী ভূগর্ভস্থ জল (কুয়ো ছাড়া) সাধারণত জীবাণুমুক্ত। কিন্তু কুয়োর জল জীবাণু দ্বারা দূষিত। ভূগর্ভস্থ জলে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে এবং অনেক ক্ষেত্রেই দ্রবীভূত লোহার আধিক্য থাকে। খরতা ভূগর্ভস্থ জলে বেশী। প্রাকৃতিক কারণে ভূগর্ভস্থ জলে রাসায়নিক দূষণ থাকার সম্ভাবনা থাকে।  অন্যদিকে ভূপৃষ্ঠস্থ জল সাধারণত জীবাণুদ্বারা দূষিত। তবে এই জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ কম থাকে। এই জলে খরতা কম থাকে এবং দ্রবীভূত লবণের আধিক্য থাকে না। ভূপৃষ্ঠস্থ জলে বিভিন্ন কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্যজল মিশ্রিত হওয়ার ফলে রাসায়নিক দূষণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভূগর্ভস্থ জল বেশীরভাগ অঞ্চলে কোন প্রকার পরিশোধন ছাড়াই সরাসরি পান করা যায়। কিন্তু ভূ-পৃষ্ঠস্থ জল পানীয় রূপে ব্যবহার করার আগে পরিশোধনের প্রয়োজন হয়। ভারতবর্ষে ভূগর্ভস্থ জলে প্রাকৃতিক কারণে গুণগত মানের পরিবর্তনের ফলে জল পানীয়রূপে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এবং গার্হস্থ কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্যের (প্রতি লিটারে 1.5 মি. গ্রামের বেশী) ফলে এবং সেই জল পান করার ফলে দাঁতের রোগ, হাড়ের ক্ষয়রোগ এবং অন্যান্য শারীরিক রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে(Dental fluorosis, skeletal & non-skeletal fluorosis)। ভারতবর্ষের 19টি রাজ্যের প্রায় 216টি জেলাতে ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্য পরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়েছে। পশ্চিমবাংলায় ভূগর্ভস্থ জলে মাত্রাতিরিক্ত ফ্লোরাইড পাওয়া যায় 1996 সালে বীরভূমের নলহাটি ব্লকে।  বর্তমানে পশ্চিমবাংলায় বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার 43টি ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্য দেখা গেছে। ভূগর্ভস্থ জলের আরেকটি ভয়াবহ সমস্যা আর্সেনিক দূষণ। পানীয় জলে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটার জল 0.05 মিলিগ্রাম। পশ্চিমবাংলা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, আসাম প্রভৃতি রাজ্যে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক দূষণ জলপরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়েছে।  পশ্চিমবাংলার আর্সেনিক দূষণ সমস্যা সর্বাধিক। পশ্চিমবাংলার মোট 79টি ব্লকের ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক দূষণ চিহ্নিত হয়েছে। বহুদিন ধরে আর্সেনিক দূষিত জল পান করার ফলে চামড়া, পরিপাকযন্ত্র, যকৃত, প্রসাব যন্ত্র, স্নায়ু, ফুসফুস প্রভৃতি আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগে ক্যানসার এবং মৃত্যু ঘটতে পারে। ভূগর্ভস্থ জলে অনেক সময় দ্রবীভূত লোহার আধিক্য (প্রতি লিটার জলে 1 মিলিগ্রামের বেশী) দেখা যায়। যদিও জলে দ্রবীভূত লোহা মানুষের শরীরে সরাসরি কোন ক্ষতি করেনা। কিন্তু জলবাহিত নলে লোহার শক্ত আস্তরণ পড়ে এবং গার্হস্থ কাজে ও শিল্পের ক্ষেত্রে এই জল সমস্যার সৃষ্টি করে। ভূপৃষ্ঠস্থ জল সারা বছর পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া গেলে গার্হস্থ জলের উত্স হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বড় বড় শহরে মূলত নদীর জল পরিশোধিত করে সরবরাহ করা হয়। ছোট জনপদে বা গ্রামাঞ্চলে পুকুর বা দীঘির জল পরিশোধন করে সরবরাহ করা যায়। জল পরিশোধনের প্রধান উদ্দেশ্য অপ্রয়োজনীয় ভাসমান এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ। জলের ভাসমান কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ প্রক্রিয়া সহজ।  কিন্তু জলে দ্রবীভূত কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে শক্ত এবং বেশী খরচ সাপেক্ষ। সাধারণত ভূপৃষ্ঠস্থ জল পরিশোধন ব্যবস্থায় ভাসমান কঠিন পদার্থগুলিকেই অপসারণ করা হয়। তাই যে ভূপৃষ্ঠস্থ জল সরবরাহের আগে পরিশোধন করা হয়, সেই জলে দ্রবীভূত লবণ এবং রাসায়নিক যৌগ পদার্থ মাত্রাতিরিক্ত অবস্থায় না থাকা বাঞ্ছনীয়। জলে কঠিন পদার্থ সাধারণত তিনটি পরিমাপে থাকতে পারে, যথা 1 মিলি মাইক্রোনের কম (আয়ন বা অণু), 1 মিলি মাইক্রোনের বেশী কিন্তু ১ মাইক্রোনের কম (কলয়ডাল) এবং 1 মাইক্রোনের বেশী (ভাসমান পদার্থ) জল পরিশোধন কেন্দ্র মূলত দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ অপসারিত হয়।  দ্বিতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ (কলয়ডাল) সহজে অপসারণ করা যায় না, কারণ এই কঠিন পদার্থগুলি সহজে থিতিয়ে পড়ে না। আসলে কলয়ডাল মাপের পদার্থগুলি সহজে মিলে বড় মাপের হয়না। এই কলয়ডাল পদার্থগুলিকে যুক্ত করে বড় করতে এবং সঙ্গে সঙ্গে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করতে ফিটকিরি বা Alum ব্যবহার করা হয়। তৃতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ কিন্তু জলে দ্রবীভূত অবস্থাতেই থাকে এবং এই ধরণের কঠিন পদার্থ জলপরিশোধন কেন্দ্রে সাধারণত অপসারিত হয়না।

গুণাগুণ অনুয়ায়ী পানীয় জল জীবাণুমুক্ত হওয়া প্রয়োজন। পানীয় জলে কোন রাসায়নিক পদার্থ বা লবণ মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে থাকা উচিত নয়। পানীয় জল স্বচ্ছ, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হওয়াও একান্ত জরুরি। অ-নিরাপদ বা দূষিত জল পান করলে বিভিন্ন রোগ যথা ডায়েরিয়া, ডিসেণ্ট্রি, আন্ত্রিক, টাইফয়েড, জণ্ডিস, কৃমিরোগ প্রভৃতির সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরণের রোগ গ্রামাঞ্চলে প্রায়শই দেখা যায়। শহরাঞ্চলেও বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন। ভারতবর্ষে এখনও প্রতি বছরে প্রায় 15 লক্ষ শিশু (৫ বছরের কমবয়সী) ডায়েরিয়াতে মারা যায়। গ্রামাঞ্চলের জল এবং জলবাহিত রোগে আক্রান্ত বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে দিন মজুরি থেকে বঞ্চিত হন ফলে পারিবারিক অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হন। কিন্তু গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মনোন্নয়ন যদি সরকারের লক্ষ্য হয় তবে গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ জল সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যবিধান ব্যবস্থায় উন্নতি করা একান্ত জরুরি। এই উন্নয়নের ফলে জল এবং জলবাহিত রোগের হ্রাস ঘটবে, মানুষের অসুস্থতা যথেষ্ট কমে আসবে এবং ফলস্বরূপ পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। পানীয় জলের উত্স মূলত ভূগর্ভস্থ এবং ভূপৃষ্ঠস্থ জল। বৃষ্টির জলকে সরাসরি সংগ্রহ করে পানীয় জল হিসাবে ব্যবহার করা যায়। গুণগত মান অণুযায়ী ভূগর্ভস্থ জল (কুয়ো ছাড়া) সাধারণত জীবাণুমুক্ত। কিন্তু কুয়োর জল জীবাণু দ্বারা দূষিত। ভূগর্ভস্থ জলে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে এবং অনেক ক্ষেত্রেই দ্রবীভূত লোহার আধিক্য থাকে। খরতা ভূগর্ভস্থ জলে বেশী। প্রাকৃতিক কারণে ভূগর্ভস্থ জলে রাসায়নিক দূষণ থাকার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে ভূপৃষ্ঠস্থ জল সাধারণত জীবাণুদ্বারা দূষিত। তবে এই জলে দ্রবীভূত লবণের পরিমাণ কম থাকে। এই জলে খরতা কম থাকে এবং দ্রবীভূত লবণের আধিক্য থাকে না। ভূপৃষ্ঠস্থ জলে বিভিন্ন কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্যজল মিশ্রিত হওয়ার ফলে রাসায়নিক দূষণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভূগর্ভস্থ জল বেশীরভাগ অঞ্চলে কোন প্রকার পরিশোধন ছাড়াই সরাসরি পান করা যায়। কিন্তু ভূ-পৃষ্ঠস্থ জল পানীয় রূপে ব্যবহার করার আগে পরিশোধনের প্রয়োজন হয়। ভারতবর্ষে ভূগর্ভস্থ জলে প্রাকৃতিক কারণে গুণগত মানের পরিবর্তনের ফলে জল পানীয়রূপে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এবং গার্হস্থ কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্যের (প্রতি লিটারে 1.5 মি. গ্রামের বেশী) ফলে এবং সেই জল পান করার ফলে দাঁতের রোগ, হাড়ের ক্ষয়রোগ এবং অন্যান্য শারীরিক রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে(Dental fluorosis, skeletal & non-skeletal fluorosis)। ভারতবর্ষের 19টি রাজ্যের প্রায় 216টি জেলাতে ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্য পরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়েছে। পশ্চিমবাংলায় ভূগর্ভস্থ জলে মাত্রাতিরিক্ত ফ্লোরাইড পাওয়া যায় 1996 সালে বীরভূমের নলহাটি ব্লকে। বর্তমানে পশ্চিমবাংলায় বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া প্রভৃতি জেলার 43টি ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলে ফ্লোরাইডের আধিক্য দেখা গেছে। ভূগর্ভস্থ জলের আরেকটি ভয়াবহ সমস্যা আর্সেনিক দূষণ। পানীয় জলে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি লিটার জল 0.05 মিলিগ্রাম। পশ্চিমবাংলা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, আসাম প্রভৃতি রাজ্যে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক দূষণ জলপরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়েছে। পশ্চিমবাংলার আর্সেনিক দূষণ সমস্যা সর্বাধিক। পশ্চিমবাংলার মোট 79টি ব্লকের ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক দূষণ চিহ্নিত হয়েছে। বহুদিন ধরে আর্সেনিক দূষিত জল পান করার ফলে চামড়া, পরিপাকযন্ত্র, যকৃত, প্রসাব যন্ত্র, স্নায়ু, ফুসফুস প্রভৃতি আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগে ক্যানসার এবং মৃত্যু ঘটতে পারে। ভূগর্ভস্থ জলে অনেক সময় দ্রবীভূত লোহার আধিক্য (প্রতি লিটার জলে 1 মিলিগ্রামের বেশী) দেখা যায়। যদিও জলে দ্রবীভূত লোহা মানুষের শরীরে সরাসরি কোন ক্ষতি করেনা। কিন্তু জলবাহিত নলে লোহার শক্ত আস্তরণ পড়ে এবং গার্হস্থ কাজে ও শিল্পের ক্ষেত্রে এই জল সমস্যার সৃষ্টি করে। ভূপৃষ্ঠস্থ জল সারা বছর পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া গেলে গার্হস্থ জলের উত্স হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বড় বড় শহরে মূলত নদীর জল পরিশোধিত করে সরবরাহ করা হয়। ছোট জনপদে বা গ্রামাঞ্চলে পুকুর বা দীঘির জল পরিশোধন করে সরবরাহ করা যায়। জল পরিশোধনের প্রধান উদ্দেশ্য অপ্রয়োজনীয় ভাসমান এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ। জলের ভাসমান কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ প্রক্রিয়া সহজ। কিন্তু জলে দ্রবীভূত কঠিন পদার্থগুলির অপসারণ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে শক্ত এবং বেশী খরচ সাপেক্ষ। সাধারণত ভূপৃষ্ঠস্থ জল পরিশোধন ব্যবস্থায় ভাসমান কঠিন পদার্থগুলিকেই অপসারণ করা হয়। তাই যে ভূপৃষ্ঠস্থ জল সরবরাহের আগে পরিশোধন করা হয়, সেই জলে দ্রবীভূত লবণ এবং রাসায়নিক যৌগ পদার্থ মাত্রাতিরিক্ত অবস্থায় না থাকা বাঞ্ছনীয়। জলে কঠিন পদার্থ সাধারণত তিনটি পরিমাপে থাকতে পারে, যথা 1 মিলি মাইক্রোনের কম (আয়ন বা অণু), 1 মিলি মাইক্রোনের বেশী কিন্তু ১ মাইক্রোনের কম (কলয়ডাল) এবং 1 মাইক্রোনের বেশী (ভাসমান পদার্থ) জল পরিশোধন কেন্দ্র মূলত দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ অপসারিত হয়। দ্বিতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ (কলয়ডাল) সহজে অপসারণ করা যায় না, কারণ এই কঠিন পদার্থগুলি সহজে থিতিয়ে পড়ে না। আসলে কলয়ডাল মাপের পদার্থগুলি সহজে মিলে বড় মাপের হয়না। এই কলয়ডাল পদার্থগুলিকে যুক্ত করে বড় করতে এবং সঙ্গে সঙ্গে থিতিয়ে পড়তে সাহায্য করতে ফিটকিরি বা Alum ব্যবহার করা হয়। তৃতীয় ধরণের কঠিন পদার্থ কিন্তু জলে দ্রবীভূত অবস্থাতেই থাকে এবং এই ধরণের কঠিন পদার্থ জলপরিশোধন কেন্দ্রে সাধারণত অপসারিত হয়না।

Add to CartProduct Added

Contact Form

Name

Email *

Message *